fbpx

মনোবাঞ্ছা পূরণের জন‍্য পীরের দরগায় আজও চলে হাঁসবলি

মনোবাঞ্ছা পূরণের জন‍্য পীরের দরগায় আজও চলে হাঁসবলি

 

মোহন গঙ্গোপাধ্যায়

অগাধ বিশ্বাস। নিষ্ঠা আর ভক্তি মিলেমিশে একাকার। ধর্মীয় ভেদাভেদ ভুলে মানুষ জড়ো হন মনোষ্কামনা পূরণের জন‍্য। শতাধিক বছর ধরে মানুষ বিপদ – আপদ থেকে বাঁচতে পীরকে তুষ্ট করতে হাঁসবলি দিয়ে আসছেন।দিনের দিন ভক্তের সংখ্যা বাড়ছে।
উল্লেখ করা যেতে পারে হুগলির খানাকুলের সাইবনা গ্রামের নাংরিক্ষেত্র আজ এক তীর্থক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। এলাকা ছাড়াও দূর- দূরান্ত থেকে প্রতিদিনই অসংখ‍্য তীর্থযাত্রী আসেন। সঙ্গে থাকে হাঁস। মনোবাঞ্ছা পূরণের জন‍্য সেই হাঁসকে বলি দেওয়া হয়। বলির মাংস নাংরিক্ষেত্রে রান্না করে সকলকে দেওয়া হয়। আবার কেউ কেউ বলির পরই হাঁসটিকে নিয়ে বাড়ি চলে যান। পীরের আস্তানায় সারাদিন চলে এই পর্ব।


স্থানীয় বাসিন্দা উদয় সাঁতরা বলেন, মনের ইচ্ছে পূরণের জায়গা। কঠিন অসুখে আক্রান্ত রোগিরা যেমন আসেন, ঠিক একইভাবে বিভিন্ন সম‍স‍্যা নিয়েও ভক্তরা আসেন। নৈবেদ্য হিসেবে সাজানো হয় হাঁসবলির মাংস। অদ্ভুতভাবে লক্ষ‍্য করা যায় শান্ত-স্নিগ্ধ ছায়ায় গাছের পাখিরাও নেমে আসে। সঙ্গ দেয় কাঠবিড়ালিরাও। বলির ভোগ এরাও খেতে ভোলে না।
বাসিন্দারা জানান, কয়েকশো বছরের পুরণো এই পীরের আস্তানা। নিরিবিলি গাছগাছালি ঘেরা মনোরম পরিবেশ যেন শান্তির জায়গা।তাই হিন্দু – মুসলমান নির্বিশেষে সকলের মুক্তির ও প্রার্থনার আশ্রয়স্থল হয়ে উঠেছে।
প্রসঙ্গত, প্রতিদিনই হাঁসবলি যেন এখানকার নৈবেদ্য হয়ে উঠেছে। আর সেইসঙ্গে রোগমুক্তির আশ্রয়স্থলও বটে।এমনকী করোনা থেকে মুক্তি পেতেও হাঁসবলি শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুন: মানুষের মতো বাসা বাঁধে পাখিও

 

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

You're currently offline