জ্বালানির জ্বালা: অবস্থা শোচনীয় মানুষের

নিজস্ব প্রতিনিধি: মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানে চারবার দাম বাড়ল পেট্রলের। আর এইভাবে ক্রমাগত পেট্রোলের দামবৃদ্ধি নিয়ে উদ্বিগ্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই লাগামছাড়া মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে তিনি কড়া ভাষায় চিঠি দিয়ে প্রতিবাদ জানালেন। তিনি লেখেন, এভাবে মূল্যবৃদ্ধির জন্য তিনি খুব উদ্বিগ্ন। মে মাসে আটবার, জুনে ছ’বার এবং চলতি সপ্তাহে চারবার বেড়েছে পেট্রোপণ্যের দাম। এভাবে মূল্যবৃদ্ধিতে বিপদের মুখে সাধারণ মানুষ। শুধু পেট্রোপণ্য নয়, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দামও প্রায় সাধারণের নাগালের বাইরে চলে গেছে। প্রাত্যহিক সবজি বাজার থেকে শুরু করে সর্ষের তেল-সহ বিভিন্ন ভোজ্যতেলের দামও আকাশছোঁয়া। এই বিষয় নিয়েও তিনি তাঁর চিঠিতে গত বছরের তুলনায় ভোজ্যতেলের দাম বেড়েছে ৩০.৮ শতাংশ। ডিমের দাম বেড়েছে ১৫.২ শতাংশ, ফলের দাম বেড়েছে ১২ শতাংশ। এই অতিমারী পরিস্থিতিতে চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বেড়েছে ৮.৪৪ শতাংশ।

তাঁর দলের তরফ থেকেও বিভিন্নভাবে প্রতিবাদ জানানো হয়। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক এবং সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় টুইট করে এই বৃদ্ধিতে প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

অন্যদিকে করোনার গ্রাসে যখন নাজেহাল সাধারণ মানুষ, কাজ নেই , নেই টাকাপয়সার জোগান সেইসময় প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র-সহ পেট্রোপণ্যের এই মূল্যবৃদ্ধি মানুষকে করে তুলেছে দিশেহারা। কাহিল সাধারণ মানুষের এখন অভিযোগ, অতিমারির এই আবহে যখন পেটের ভাতে টান পড়েছে তখন জ্বালানি-সহ সমস্ত জিনিসের এই আগুনদাম নিয়ে তাঁরা সংসার চালাবেন কীভাবে?

আর অতিমারি পর্বে পেট্রল, ডিজেলের এই লাগামছাড়া দামবৃদ্ধির ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কেন মুখে কুলুপ এঁটে রয়েছেন তা নিয়েও সরব হয়ে উঠেছেন অনেকেই।

যদিও রাজ্য বিজেপি-র তরফে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে সরাসরি দায়ী করা হয়। তাঁদের বক্তব্য, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের লেভির পরিমাণ কমাচ্ছেন না কেন? অন্য রাজ্যগুলির চেয়ে তো পেট্রল, ডিজেলের দাম পশ্চিমবঙ্গেই বেড়েছে সবচেয়ে বেশি। সিন্ডিকেটের হাতে টাকা তুলে দেওয়ার জন্যই রাজ্য সরকার লেভির পরিমাণ কমাচ্ছে না।

বিরোধিতার নিশানায় একে অপরকে যতই বিদ্ধ করুক, একথা সত্যি যে এই পরিস্থিতিতে মানুষের অবস্থা সত্যি শোচনীয়। মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানে চারবার দাম বাড়ল পেট্রলের। আর এইভাবে ক্রমাগত পেট্রোলের দামবৃদ্ধি নিয়ে উদ্বিগ্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই লাগামছাড়া মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে তিনি কড়া ভাষায় চিঠি দিয়ে প্রতিবাদ জানালেন। তিনি লেখেন, এভাবে মূল্যবৃদ্ধির জন্য তিনি খুব উদ্বিগ্ন। মে মাসে আটবার, জুনে ছ’বার এবং চলতি সপ্তাহে চারবার বেড়েছে পেট্রোপণ্যের দাম। এভাবে মূল্যবৃদ্ধিতে বিপদের মুখে সাধারণ মানুষ। শুধু পেট্রোপণ্য নয়, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দামও প্রায় সাধারণের নাগালের বাইরে চলে গেছে। প্রাত্যহিক সবজি বাজার থেকে শুরু করে সর্ষের তেল-সহ বিভিন্ন ভোজ্যতেলের দামও আকাশছোঁয়া। এই বিষয় নিয়েও তিনি তাঁর চিঠিতে গত বছরের তুলনায় ভোজ্যতেলের দাম বেড়েছে ৩০.৮ শতাংশ। ডিমের দাম বেড়েছে ১৫.২ শতাংশ, ফলের দাম বেড়েছে ১২ শতাংশ। এই অতিমারী পরিস্থিতিতে চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বেড়েছে ৮.৪৪ শতাংশ।
তাঁর দলের তরফ থেকেও বিভিন্নভাবে প্রতিবাদ জানানো হয়। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক এবং সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় টুইট করে এই বৃদ্ধিতে প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

অন্যদিকে করোনার গ্রাসে যখন নাজেহাল সাধারণ মানুষ, কাজ নেই , নেই টাকাপয়সার জোগান সেইসময় প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র-সহ পেট্রোপণ্যের এই মূল্যবৃদ্ধি মানুষকে করে তুলেছে দিশেহারা। কাহিল সাধারণ মানুষের এখন অভিযোগ, অতিমারির এই আবহে যখন পেটের ভাতে টান পড়েছে তখন জ্বালানি-সহ সমস্ত জিনিসের এই আগুনদাম নিয়ে তাঁরা সংসার চালাবেন কীভাবে?
আর অতিমারি পর্বে পেট্রল, ডিজেলের এই লাগামছাড়া দামবৃদ্ধির ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কেন মুখে কুলুপ এঁটে রয়েছেন তা নিয়েও সরব হয়ে উঠেছেন অনেকেই।

যদিও রাজ্য বিজেপি-র তরফে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে সরাসরি দায়ী করা হয়। তাঁদের বক্তব্য, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের লেভির পরিমাণ কমাচ্ছেন না কেন? অন্য রাজ্যগুলির চেয়ে তো পেট্রল, ডিজেলের দাম পশ্চিমবঙ্গেই বেড়েছে সবচেয়ে বেশি। সিন্ডিকেটের হাতে টাকা তুলে দেওয়ার জন্যই রাজ্য সরকার লেভির পরিমাণ কমাচ্ছে না।

বিরোধিতার নিশানায় একে অপরকে যতই বিদ্ধ করুক, একথা সত্যি যে এই পরিস্থিতিতে মানুষের অবস্থা সত্যি শোচনীয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *